ডাটাবেজের আওতায় আসছে ট্যুর অপারেটরদের তথ্য

বিশ্বব্যাপী ভ্রমণপিপাসুদের হার ক্রমেই বাড়ছে। সে ধারাবাহিকতায় ভ্রমণ বাড়ছে বাংলাদেশিদেরও মধ্যে। একটি প্রতিবেদন মতে, এখন বছরে ৫০-৬০ লাখ মানুষ ঘুরতে যায় দেশ-বিদেশে। অথচ বছর পাঁচেক আগেও এ সংখ্যাটা ছিল ২৫-৩০ লাখ। কিছু সংখ্যক লোক নিজে আনুষ্ঠানিকতা সেরে ভ্রমণে গেলেও বেশিরভাগেরই যাওয়া হয় ট্রাভেল এজেন্ট বা ট্যুর অপারেটরের মাধ্যমে। অথবা কোনো না কোনোভাবে এই ট্যুর অপারেটরের সংশ্লিষ্টতা থাকে ভ্রমণকাজে।

কিন্তু তাদের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই সরকারের হাতে। অথচ এই ট্যুর অপারেটররা বিদেশ ভ্রমণকারীদের ভিসা প্রক্রিয়া (কিছু দেশের ক্ষেত্রে), টিকিট ও হোটেল বুকিং ও ক্যান্সেল থেকে শুরু করে রিফান্ড প্রক্রিয়া পর্যন্ত করে থাকে।

তাই তাদের বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য থাকলেই বিদেশ ভ্রমণকারীদের সঠিক সংখ্যা, তাদের ভ্রমণকর আদায়, জিডিপিতে এই ভ্রমণকারীদের অবদান প্রভৃতি জানা যাবে সহজেই। এই লক্ষ্যে দেশের সব ট্রাভেল এজেন্ট বা ট্যুর অপারেটর এবং ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) এজেন্টদের তথ্য ও কার্যক্রম জানতে মাঠে নামছে সরকার। এ বিষয়ে একটি ডাটাবেজ তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
বিবিএসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০১৯ সালের জানুয়ারির মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে দেশের সব ট্রাভেল এজেন্ট বা ট্যুর অপারেটরের তথ্য সংগ্রহ করবেন কর্মকর্তারা। ট্যুর অপারেটরের সংখ্যা, এজেন্ট মালিকের নাম ও অন্যান্য তথ্য, অপারেটরের ব্যয়, জনবল, ভ্রমণকারীরা ঠিকমতো কর দিচ্ছেন কি-না, সেসব তথ্য আনা হবে ডাটাবেজের আওতায়।

২০১৫ সালে বিশ্বে পর্যটন খাতে ৭ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলার আয় হয়েছে, যা বৈশ্বিক জিডিপির ৯ দশমিক ৮ শতাংশ। আগামী এক যুগ বিশ্ব অর্থনীতিতে পর্যটন খাতে ৪ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিল।

Please follow and like us:
0

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

CAPTCHA


error: Content is protected !!